সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র নেই, শিক্ষামন্ত্রীর দ্বারস্থ গাইবান্ধার ৪১ প্রাথমিক শিক্ষক
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় গাইবান্ধার ৪১ জন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার (বা দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর) হস্তক্ষেপ কামনা করে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এই স্মারকলিপি পাঠায় ভুক্তভোগী প্রার্থীরা।

স্মারকলিপি গ্রহণ করে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ড. মনিরুজ্জামান জানান, "সহকারী শিক্ষক নিয়োগ একটি চলমান সরকারি প্রক্রিয়া। নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থীদের পেশকৃত স্মারকলিপিটি অবিলম্বে সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠিয়ে দেওয়া হবে।"

আরও পড়ুন:  মৌলভীবাজারে প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত ৮৫ জনের নিয়োগ বাতিল

স্মারকলিপির তথ্য অনুযায়ী, ইতিপূর্বে গাইবান্ধা জেলায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে মোট ৪৫৬ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। কিন্তু সম্প্রতি জেলা পর্যায়ে চূড়ান্ত নিয়োগপত্র প্রদানের সময় ৪৫৬ জনের মধ্যে ৪১ জন প্রার্থীর নিয়োগপত্র আটকে দেওয়া হয় এবং জেলা দপ্তর থেকে তাদের বাদ রেখে তালিকা প্রকাশ করা হয়। হঠাৎ করে নিয়োগপত্র স্থগিত হওয়ায় দীর্ঘদিন অপেক্ষায় থাকা প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবন অনিশ্চয়তা ও গভীর উদ্বেগের মুখে পড়েছে।

প্রার্থীরা জানান, ঠিক কী ধরনের প্রশাসনিক কিংবা নথি যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তাদের আটকে রাখা হয়েছে এবং কোন যুক্তিতে নিয়োগপত্র প্রদান থেকে বিরত রাখা হলো-সে বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বা জেলা শিক্ষা অফিসের কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না।

স্মারকলিপিতে তারা আরও দাবি করেন, চাকরিপ্রত্যাশী হিসেবে নিজেদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান, বাদ পড়ার কারণ এবং এ বিষয়ে তাদের ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছ ও লিখিত উত্তর পাওয়া তাদের নাগরিক অধিকার। এই অনিশ্চিত পরিস্থিতি দূর করে অনতিবিলম্বে সকল সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগ বহালের দাবি জানান তারা।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি