কর্পোরেট ডেস্ক: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের (MSME) জন্য দেশের শীর্ষস্থানীয় রিটেইল ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্ম প্রিয়শপ ‘বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ জোড়া সাফল্য অর্জন করেছে।
বাংলাদেশ রিটেইল ফোরাম ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের (বিবিএফ) উদ্যোগে ঢাকার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে প্রিয়শপকে ‘সেরা রিটেইল স্টার্টআপ’ এবং ‘সেরা বিটুবি (B2B) ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
এবারের প্রতিযোগিতায় লড়াই ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। ৫৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৪৭টি মনোনয়ন জমা পড়েছিল। ২৬টি ক্যাটাগরিতে প্রদান করা ৬৪টি সম্মাননা যার মধ্যে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে ‘উইনার’ হওয়ার গৌরব অর্জন করে প্রিয়শপ।
চমকপ্রদ এই সাফল্যের বিষয়ে প্রিয়শপের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও আশিকুল আলম খাঁন বলেন, “আমাদের জন্য এটি কেবল দুটি ট্রফি জেতা নয়; বরং এটি আমাদের সেই লক্ষ্য ও প্রচেষ্টার স্বীকৃতি যার মাধ্যমে আমরা দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি ৫০ লক্ষাধিক ক্ষুদ্র খুচরা বিক্রেতাকে আরও শক্তিশালী করে তুলছি। যখন আমরা আমাদের ব্যবসায়িক মডেলে পরিবর্তন এনেছিলাম, আমাদের উদ্দেশ্য ছিল আমাদের পাড়ায় পাড়ায় যে দোকানিরা আছেন তারা যেন আরও স্মার্টলি, দ্রুত এবং ন্যায্যভাবে সেবা পেতে পারেন। আজকের এই পুরস্কারগুলো প্রমাণ করে যে, আমাদের সমাধানগুলো সঠিক পথেই এগোচ্ছে।”
স্বপ্ন, সিঙ্গার ও বাটা-র পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের (MSME) সাপ্লাই চেইনে প্রিয়শপ-এর চমৎকার প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরে।
সহজ ঋণ সুবিধা, লেনাদেনা এবং তথ্য নির্ভর এআই বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ে প্রিয়শপ মূলত গতানুগতিক ডিস্ট্রিবিউশনের যে লজিস্টিকস সমস্যাগুলো আছে সেগুলো সমাধান করছে এবং দোকানিদের ব্যবসা বড় করার জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক টুলস প্রদান করছে।
প্রিয়শপের কো-ফাউন্ডার এবং সিএমও দীপ্তি মন্ডল বলেন, “এই অর্জন আমাদের টিম, বিনিয়োগকারী এবং আমাদের খুচরা বিক্রেতাদের প্রাপ্য। রিটেইল খাতের সেরা উদ্যোগগুলোকে উদযাপনের এই সন্ধ্যায় বিটুবি ই-কমার্স এবং স্টার্টআপ উদ্ভাবনে শীর্ষস্থান ধরে রাখা আমাদের আরও বেশি উৎসাহিত করছে। এটি বাংলাদেশের রিটেইল খাতের প্রতিটি স্তরে ডিজিটালাইজেশন পৌঁছে দিতে আমাদের প্রতিশ্রুতিকে আরও দৃঢ় করবে।”
‘সবার সাথে এগিয়ে চলি সমৃদ্ধির দিকে’, এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে প্রিয়শপ ভবিষ্যতে তাদের অপারেশনাল হাব এবং ক্রেডিট-স্কোরিং মডেল আরও বড় করার পরিকল্পনা করছে, যাতে বাংলাদেশের প্রতিটি ক্ষুদ্র ব্যবসা এগিয়ে যেতে পারে ডিজিটালি।
—জা.অর্থনীতি/এনজে

