সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে তাহিরপুর, জামালগঞ্জ ও ধর্মপাশা উপজেলার পাগনার হাওর, মাটিয়ান হাওর, টগার হাওর ও দিরাই উপজেলার বরাম হাওরে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন- ধর্মপাশার হাবিবুর রহমান (৩০) ও রহমত উল্লা (১৫); জামালগঞ্জের নাজমুল হোসেন (২৬); তাহিরপুরে আবুল কালাম (২৫) এবং দিরাইয়ের লিটন মিয়া (৩০)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আজ দুপুরে ৩ উপজেলায় হঠাৎ আকাশ কালো করে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়।
তখন তাহিরপুরের মাটিয়ান হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে আবুল কালাম আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্বার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ওই কৃষকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
অপরদিকে জামালগঞ্জের পাগনার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে নূর জামাল (২৬) নামের আরেক কৃষকের মৃত্যু হয়। নিহত কৃষক উপজেলার চানপুর গ্রামের আমির আলীর ছেলে।
জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী বলেন, পাগনার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরো একজন আহত হয়েছেন।
এদিকে ধর্মপাশার টগার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রাঘাতে হাবিবুর রহমান নামের আরেক কৃষক আহত হলে স্থানীয়রা থাকে উদ্ধার করে ধর্মপাশা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা থাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি উপজেলার পাইকরহাটি ইউনিয়নের বড়ই হাটি গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে।
এ উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামে বাড়ির পাশে ধান শুকাতে গিয়ে বজ্রপাতে রহমত উল্লা (১৫) নামের আরও একজনের মৃত্যু হয়।
ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদ উল্ল্যা বলেন, হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এছাড়া দিরাই উপজেলার বরাম হাওরে ধান কাটতে গিয়ে লিটন মিয়া (৩০) নামের আরেক কৃষকের মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার হাসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হকবলেন, বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। পরে বিস্তারিত জানানো যাবে।


