আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ওমান উপসাগরে ইরানের পতাকাবাহী ‘তুসকা’ কার্গো জাহাজ জব্দের জেরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান।
দেশটির আইআরজিসি ঘনিষ্ঠ আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় রুশ বার্তাসংস্থা তাস।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর খতম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের এক মুখপাত্র জানান, মার্কিন সেনাবাহিনী একটি ইরানি জাহাজ আটক করে, যা চীন থেকে ওমান উপসাগরের দিকে যাচ্ছিল। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে মার্কিন বাহিনী জাহাজটিতে গুলি চালায় এবং এর নেভিগেশন ব্যবস্থা অচল করে দেয়।
এদিকে ‘তুসকা’ নামের ইরানের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজে হামলা চালানো এবং সেটি জব্দ করার কথা নিশ্চিত করেছে মার্কিন সেন্টকম। মার্কিন বাহিনীর এমন কর্মকাণ্ডের জবাবে মানববিহীন আকাশযান (ড্রোন) ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানান খতম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত ‘দস্যুতা’ নীতি ও হামলার বিরুদ্ধে ইরান তাদের প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রাখবে।
ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সম্ভাবনার বিষয়ে জেনেভাতে আলোচনা চলা অবস্থায় ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দেশটিতে বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইমাম আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হন।
এর আগে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত যৌথবাহিনীর হামলায় ২০৭৬ নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছে ২৬ হাজারের বেশি মানুষ।
এছাড়া মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালানো মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৬৮ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়।
—জা.অর্থনীতি/এনজে


