কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় দিনের মতো দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আরিফুর রহমানসহ ৪ পুলিশ সদস্য ও দুইপক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল থেকে দ্বিতীয় দিনের মত শুরু হওয়া সংঘর্ষ চলে বিকেল পর্যন্ত। পাকুন্দিয়া পৌর সদরের টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামের দুইপক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তা সহিংসতায় রূপ নেয় এবং রাত পর্যন্ত উত্তেজনা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। এরই জেরে আজ সকাল থেকে আবারও দুইপক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায় এবং কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পাকুন্দিয়া থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমানসহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত হন। এছাড়া দুইপক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার সময় আমিসহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। এ পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং কাউকে আটকও করা হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
—জা.অর্থনীতি/এনজে


