জ্বালানি সংকট, মূল্যস্ফীতি ও ভোক্তার নীরব আর্তনাদ

এ এইচ এম সফিকুজ্জামান: জাতীয় অর্থনীতির সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, দেশের ভোক্তারা আজ এক বহুমাত্রিক চাপের মধ্যে অবস্থান করছেন। বৈশ্বিক অস্থিরতা, জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতির সম্মিলিত অভিঘাতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতি কেবল অর্থনীতির কোনো বিচ্ছিন্ন সমস্যা নয়; বরং এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবন, পারিবারিক নিরাপত্তা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

এই বাস্তবতার একটি গভীর মানবিক প্রতিচ্ছবি উঠে এসেছে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে। রাজধানীর পরিবাগের একটি ফিলিং স্টেশনে তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষমাণ রাইডশেয়ার চালক তরিকুল ইসলামের অভিজ্ঞতা আজকের অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে স্পষ্টভাবে সামনে নিয়ে আসে। সকাল ৭টা থেকে বিকাল পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও জ্বালানি না পাওয়া— এটি শুধু সময়ের অপচয় নয়, বরং জীবিকার সরাসরি ক্ষতি। তার মর্মস্পর্শী বক্তব্য— ‘বাজার করলে বাবা-মায়ের ওষুধের টাকা হবে না, আর ওষুধের কথা ভাবলে বাজার হবে না’— বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের এক নির্মম সত্যকে উন্মোচন করে। এটি এমন এক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়, যেখানে মানুষকে মৌলিক প্রয়োজনগুলোর মধ্যেই কঠিন অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হচ্ছে।

জ্বালানি সংকটের অভিঘাত বহুমাত্রিক— এটি কেবল সরবরাহ সংকটে সীমাবদ্ধ নয়; বরং পরিবহন ব্যয়, উৎপাদন খরচ ও পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে শেষ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতির মাধ্যমে ভোক্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে। বাংলাদেশের জ্বালানি খাত দীর্ঘদিন ধরে আমদানিনির্ভর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি, ভূরাজনৈতিক সংঘাত এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাপ জ্বালানি আমদানির ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে, ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের মূল্যসমন্বয় পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে; আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ১৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর নতুন দামে ডিজেল ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা, অকটেন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, পেট্রল ১১৬ থেকে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ থেকে ১৩০ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা সামগ্রিকভাবে অর্থনীতি ও ভোক্তাদের জীবনে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করবে।

জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি পরিবহন ব্যয়ের ওপর পড়বে, যা পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ খরচ বাড়াবে। ফলে কৃষিপণ্য থেকে শুরু করে শিল্পপণ্য— সব ধরনের পণ্যের উৎপাদন ও বিপণন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত এই ব্যয় পণ্যের দামের সঙ্গে যুক্ত করবেন, যার চাপ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই পড়বে। একই সঙ্গে যাতায়াত ব্যয় বাড়বে, ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয়ও বৃদ্ধি পাবে। এতে করে সীমিত আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আরও সংকুচিত হবে এবং সামগ্রিকভাবে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও তীব্র হবে।

জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব বাড়াতে সরকারের উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিরতার মধ্যে সম্প্রতি সরকার খাসজমি ব্যবহার করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং এতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হচ্ছে। এ বিষয়ে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া তদারকির জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে শুধু সৌরবিদ্যুৎ খাত থেকেই প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি জৈবগ্যাস ও বায়ুশক্তির মতো বিকল্প জ্বালানি উৎসের ব্যবহার বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতে আমদানিনির্ভরতা হ্রাস এবং টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

এলপিজি গ্যাসের বাজার এই বৃহত্তর সংকটের একটি স্পষ্ট প্রতিফলন। নির্ধারিত মূল্য থাকা সত্ত্বেও অনেক ক্ষেত্রে ভোক্তাদের অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। বাজারে তদারকি থাকলেও তা ধারাবাহিক ও কার্যকর নয়। ফলে একটি অদৃশ্য অরাজকতা তৈরি হয়েছে, যেখানে নিয়ম থাকলেও তার প্রয়োগ দুর্বল। এই পরিস্থিতি ভোক্তাদের মধ্যে অনাস্থা তৈরি করছে এবং বাজারব্যবস্থার ওপর আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল প্রায় ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশে। এই পরিসংখ্যানের অন্তরালে রয়েছে মানুষের জীবনের কঠিন বাস্তবতা। খাদ্য মূল্যস্ফীতি মানে রান্নাঘরের চাপ, আর খাদ্য-বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি মানে বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, পরিবহন ও জ্বালানি ব্যয়ের ক্রমাগত বৃদ্ধি।

নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এই পরিস্থিতি সরাসরি টিকে থাকার সংকটে রূপ নিয়েছে। তাদের আয়ের বড় অংশ খাদ্যের পেছনে ব্যয় হয়, ফলে খাদ্যের দাম বাড়লে তাদের বিকল্প সীমিত। তারা খাদ্যের পরিমাণ কমায়, মান কমায়, পুষ্টি কমায়। অন্যদিকে মধ্যবিত্তের জন্য এটি এক নীরব সংকট। তারা হয়তো বাহ্যিকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও ভেতরে ভেতরে সঞ্চয় ভেঙে, ব্যয় সংকোচন করে এবং প্রয়োজনীয় খরচ স্থগিত রেখে জীবনযাপন করছে।

এই প্রেক্ষাপটে আরও একটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য— সংকট মোকাবিলায় আমাদের নীতিনির্ধারণ কতটা সময়োপযোগী ও আগাম প্রস্তুতিমূলক। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার পরেই তৎপরতা শুরু হয়। অথচ আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা, সরবরাহ পরিস্থিতি এবং মুদ্রাবাজারের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া গেলে সংকটের অভিঘাত অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

বাজারব্যবস্থায় তথ্যের স্বচ্ছতার অভাবও একটি বড় সমস্যা। ভোক্তারা অনেক সময় সঠিক মূল্য সম্পর্কে অবগত না থাকায় অযৌক্তিক দাম দিতে বাধ্য হন। যদি প্রতিদিনের ন্যায্যমূল্যের তালিকা সহজভাবে প্রকাশ করা যায় এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, তাহলে বাজারে জবাবদিহিতা অনেকাংশে বাড়বে। একইসঙ্গে ভোক্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। সচেতন ভোক্তা একটি সুস্থ বাজারব্যবস্থার ভিত্তি। তারা যদি নিজেদের অধিকার সম্পর্কে জানেন এবং প্রতিকার পাওয়ার পথ সম্পর্কে অবগত থাকেন, তাহলে বাজারে অনিয়মের বিরুদ্ধে একটি স্বাভাবিক প্রতিরোধ গড়ে উঠবে।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি আরও বাড়ানোও সময়ের দাবি। নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ভর্তুকিযুক্ত খাদ্য, নগদ সহায়তা এবং সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা গেলে তাদের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব। একইসঙ্গে মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্যও কিছু সহায়ক নীতি বিবেচনা করা উচিত। কারণ তারা অনেক সময় সরাসরি সহায়তা পায় না, অথচ সবচেয়ে বেশি চাপ অনুভব করে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে হলে কৃষি ও উৎপাদন খাতকে শক্তিশালী করা অপরিহার্য। উৎপাদন বাড়ানো ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, সারের সহজ প্রাপ্যতা, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধা উন্নত করা গেলে মৌসুমি মূল্য ওঠানামা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা সীমিত করতে হলে সরাসরি উৎপাদক-ভোক্তা সংযোগ বাড়াতে হবে। কৃষক বাজার, সমবায়ভিত্তিক বিপণন এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি বিক্রয়ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে এই ব্যবধান কমানো সম্ভব। এতে একদিকে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন, অন্যদিকে ভোক্তাও তুলনামূলক কম দামে পণ্য কিনতে পারবেন।

সিন্ডিকেট ভিত্তিক বাজার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। যদিও সব ক্ষেত্রে এটি প্রমাণ করা সহজ নয়, তবে বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকট অনেক সময় এই ধারণাকে শক্তিশালী করে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিযোগিতা কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য। বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে না পারলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।

মূল্যস্ফীতি কমানোর ক্ষেত্রে মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ, সুদের হার সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় পণ্যে শুল্ক কমানো— এসব পদক্ষেপ একসঙ্গে গ্রহণ করতে হবে। একইসঙ্গে অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিরুৎসাহিত করা এবং প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখা এবং ডলারের ওপর চাপ কমানোও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— শ্রমবাজার ও আয়ের সঙ্গে মূল্যস্ফীতির অসামঞ্জস্যতা। যখন মূল্যস্ফীতি বাড়ে কিন্তু আয় সেই হারে বাড়ে না, তখন ভোক্তাদের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমজতা কমে যায়। ফলে বাজারে চাহিদা কমে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই মজুরি কাঠামো, সামাজিক সুরক্ষা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

সবশেষে, অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত জরুরি। অর্থনীতির প্রতিটি সূচকের পেছনে রয়েছে মানুষের জীবন, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং সংগ্রাম। তাই নীতি নির্ধারণের সময় শুধু প্রবৃদ্ধি নয়, বরং জীবনমান, ন্যায্যতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে গুরুত্ব দিতে হবে।

বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়— অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ভোক্তাদের রাখতে হবে। উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হবে, যখন সাধারণ মানুষ তার সুফল ভোগ করতে পারবে। যদি মানুষকে খাদ্য ও চিকিৎসার মধ্যে বেছে নিতে হয়, তাহলে সেই অর্থনীতির সাফল্য প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

তরিকুল ইসলামের অভিজ্ঞতা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়— অর্থনীতি কেবল সংখ্যার হিসাব নয়; এটি মানুষের জীবন, তাদের সংগ্রাম এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তাই নীতি নির্ধারণের প্রতিটি ধাপে ভোক্তার বাস্তব জীবনকে গুরুত্ব দেওয়া অপরিহার্য।

এই সংকট থেকে উত্তরণ অসম্ভব নয়। তবে তার জন্য প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা। জ্বালানি খাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই একটি স্থিতিশীল ও ভোক্তা-বান্ধব অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব।


সভাপতি, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)