জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর ও যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়নমন্ত্রী ব্যারোনেস জেনি চ্যাপম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, জ্বালানি, আইসিটিতে ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের পাশাপাশি বাণিজ্য সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী যুক্তরাজ্যও।  

শেষের দিকে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর বসন্তকালীন সভা। প্রথম ৪ দিনে ১৯১টি দেশের প্রতিনিধিরা অর্থ, প্রযুক্তি ও কৌশলগত সহায়তা পেতে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেন।

যুদ্ধ পরিস্থিতির ধকল কাটিয়ে উঠতে অর্থ ও কৌশলগত সহায়তা পাওয়াই ছিলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রধান লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে কাজ করছে বাংলাদেশও।

চতুর্থ দিনের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের বৈঠক হয়। সেখানে গুরুত্ব পায় দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়। পরে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধি দল ও জাইকাসহ আরও ৬টি বৈঠকে অংশ নেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা বিভিন্ন সংস্থা ও দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। তুলে ধরেন যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহায়তা দেবে সে বিষয়ে জানান তিনি।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘পুরো দেশকে ডিজিটাল নেটওয়ার্কের মধ্যে এনে কীভাবে দেশের জনগণ উপকার পেতে পারে সে বিষয়ে বিশ্বব্যাংকসহ সবার সঙ্গে কথা হয়েছে।’

অর্থমন্ত্রী জানান, যুক্তরাজ্য ও জাইকার বিনিয়োগ আসছে বাংলাদেশে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘জাইকারর সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে দেশে বিনিয়োগ, কীভাবে বিনিয়োগ আনা যায়।’

একদিকে জ্বালানি কিনতে খরচ হচ্ছে। অপরদিকে মিলছে বিভিন্ন আশ্বাস। তবে এ আশ্বাস কখন বাস্তবে রূপ নেবে সেটাই দেখার বিষয়।

—জা.অর্থনীতি/এএইচএ