বিনোদন প্রতিবেদক: দেশের সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পেয়েছেন সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ। তাকে মরণোত্তর সম্মাননা দিয়েছে সরকার। সংগীতশিল্পী বশির আহমেদের পক্ষে পুরস্কারটি নিয়েছেন তার মেয়ে হুমায়রা বশির। পুরস্কার গ্রহণের আগে হুমায়রা বলেন, ‘আমরা দুই ভাই-বোন পাপার পক্ষ থেকে এই সম্মান গ্রহণ করেছি। পাপা, আম্মি বেঁচে থাকলে উনাদের বলতাম আপনাদের সন্তান হতে পেরে আমরা নিজেদের ধন্য মনে করছি। পাপাকে নিয়ে আমরা সত্যিই গর্বিত।’
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিতে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে এ বছরের মনোনীতদের পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পুরস্কার নিতে বশির আহমেদের ছেলে রাজা বশির ও মেয়ে হুমায়রা সপরিবারে হাজির হয়েছিলেন অনুষ্ঠানে।
প্রঙ্গেত, ‘অনেক সাধের ময়না আমার’, ‘আমাকে পোড়াতে যদি এত লাগে ভালো’, ‘আমি সাত সাগর পাড়ি দিয়ে’, ‘যারে যাবি যদি যা’সহ বহু কালজয়ী গানের শিল্পী ও সুরকার বশির আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসার ও হৃদরোগের সাথে লড়াই করে ২০১৪ সালের ১৯ এপ্রিল ৭৪ বছর বয়সে মারা যান। আজ (রোববার) এ সংগীতশিল্পীর মৃত্যুবার্ষিকী।
দেশের সংগীতশিল্পী হিসেবে তাৎপর্যপূর্ণ অবদানের জন্য ২০০৫ সালে একুশে পদক পান তিনি।
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।
পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, ৩ লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।
এ বছর স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের জন্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। এ ছাড়া, ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
—জা. অর্থনীতি/এনএ

