ফয়সাল সিকদার, বরগুনা: বরগুনার পায়রা বলেশ্বর ও বিষখালী নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাধে চলছে রেণু পোনা আহরণ। এ সকল রেণু পোনা আহরণে ব্যবহৃত হচ্ছে নিষিদ্ধ ব্লু নেট জাল।
এতে আটকা পরে প্রাণ হারাচ্ছে অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ, মাছের পোনা ও জলজপ্রাণী। হুমকির মুখে পড়ছে জীববৈচিত্র।
অপরদিকে শত কোটি টাকা সিন্ডিকেটের বেড়াজালে আটকা পড়ে ন্যায্যমূল্য হারাচ্ছে শিকারিরা।
সূত্র থেকে জানা গেছে, উপকূলের প্রায় ৫ লাখ মানুষ রেণু পোনা শিকারের সাথে জড়িত। হ্যাচারি বন্ধ থাকায় চিংড়ির চাহিদা মেটানোর কথা বলে সুবিধা নিচ্ছে অসাধু চক্র। যদিও 'বাকশাল' দিয়ে রেণু পোনা শিকার করলে অন্য মাছ ও জলজ প্রাণীর ওপর তেমন প্রভাব পরে না।
তবে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অধিক লাভের আশায় অসাধু পাইকাররা ক্ষতিকারক ব্লু-নেট জাল দিয়ে মাছ শিকারে উৎসাহিত করছে শিকারিদের। উপকূলের নারী-পুরুষ সম্মিলিতভাবে নির্বিচারে ধ্বংস করছেন নদীর রেণু পোনা।
তাদের দাবি, পেটের দায়ে ঝুঁকি নিয়ে আহরণ করছেন নিষিদ্ধ রেণু পোনা। উপকূলীয় খেটে খাওয়া মানুষের কর্মসংস্থান না থাকায় অবৈধ মাছ শিকারে ঝুঁকছেন তারা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধ রেণু পোনা ক্রয়কারী ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই রেণু পোনা শিকার বন্ধ হবে। অন্যথায় ব্যর্থ হবে সরকারের মহৎ পরিকল্পনা।
অবৈধ মাছ শিকারিদের দাবি, কর্মসংস্থানের অভাবে এবং অভাবের কারণেই অবৈধ এ কাজে ঝুঁকছেন তারা। এ জাল অত্যন্ত ক্ষতিকারক বলেও স্বীকার করেন তারা।
বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, অবৈধ এ সকল জালের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে জেলা মৎস্য বিভাগ।
—জা.অর্থনীতি/এনজে


