অর্থনীতি ডেস্ক: বাজারের চাপ সামাল দিতে সোমবার থেকে অকটেনে ২০ শতাংশ এবং ডিজেল ও পেট্রোলে ১০ শতাংশ বাড়তি বরাদ্দ দিচ্ছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন-বিপিসি।
বর্তমান চাহিদা বিবেচনায় ডিলার ও ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহ ঠিক রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেছে বিপিসি।
রোববার জারি করা বিপিসির এক নির্দেশনায় বলা হয়, বর্তমান জ্বালানি তেলের ‘চাহিদা বিবেচনায়’ ডিলার ও ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার থেকে বিপিসির অধীন কোম্পানিগুলোকে বর্ধিত হারে জ্বালানি তেল বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
বিপিসির বন্টণ ও পরিবীক্ষণ অধিশাখা থেকে জারি করা এ আদেশে বলা হয়, ডিজেলের দৈনিক বরাদ্দ ১৩ হাজার ৪৮ মেট্রিক টন, অকটেন ১ হাজার ৪২২ মেট্রিক টন এবং পেট্রোল ১ হাজার ৫৪৭ মেট্রিক টন ধরা হয়েছে। কোম্পানিভিত্তিক শেয়ারও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত এল এমন এক সময়, যখন সরকার একদিকে খুচরা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে, অন্যদিকে সরবরাহ চাপ কমাতে বাজারে অতিরিক্ত তেল ছাড়ার পদক্ষেপ নিচ্ছে।
শনিবার রাতে সরকার চার ধরনের তেলের দাম এক লাফে ১০ শতাংশের বেশি বাড়িয়েছে।
নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫, অকটেন ১৪০, পেট্রোল ১৩৫ ও কেরোসিন ১৩০ টাকা, যা রোববার থেকে কার্যকর হয়েছে।
এতে ডিজেলের দাম ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা এবং কেরোসিন ১৮ টাকা বেড়েছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখায যাচ্ছে।
এর আগে মার্চের শুরুতে বিপিসি মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস, ট্রাক ও পিকআপের জন্য দৈনিক বিক্রির সীমা বেঁধে দিয়েছিল। মোটরসাইকেলে অকটেন বা পেট্রোল ২ লিটার, ব্যক্তিগত গাড়িতে ১০ লিটার, এসইউভি ও মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, আর ডিজেলচালিত বিভিন্ন যানবাহনে ৭০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করা হয়। পরে রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলের জন্য সীমা ৫ লিটারে তোলা হয়।


