এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ যেভাবে মোকাবিলা করতে হবে

মো. মাজেদুল হক: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০২৫ অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশ এখন অন্যতম। দুর্নীতির ধারণাসূচক অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। অর্থাৎ বাংলাদেশ এখন দুর্নীতিতে দক্ষিণ সুদান, সোমালিয়া, ইয়েমেন ও লিবিয়ার কাছাকাছি অবস্থান করছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক হেনলি এবং পার্টনারস-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের পাসপোর্টের অবস্থান ৯৫তম। সোমালিয়ার পাসপোর্টের অবস্থান ৯৭তম। বাংলাদেশের পাসপোর্ট বিশ্বের মধ্যে সপ্তম দুর্বল পাসপোর্ট হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। ইকোনমিক ইনটেলিজেন্স ইউনিটের গবেষণায় উঠে এসছে যে, ১৬৫ দেশের মধ্যে গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১০০তম। দুর্নীতি, গণতন্ত্র এবং পাসপোর্টের সক্ষমতা নিয়ে বাংলাদেশ নানাভাবে সমালোচিত হচ্ছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের মর্যাদা কমে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি জরুরি।  

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জোরালোভাবে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ চেয়েছিল। তখন ব্যবসায়িক গোষ্ঠী এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা পেছাতে সরকারের মাধ্যমে জাতিসংঘের কাছে চিঠি দিতে অনুরোধ করেছিল। এর কারণ ছিল বহুবিধ। সাধারণত জাতিসংঘ তিনটি মানদণ্ড বিবেচনা করে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উত্তরণের জন্য সুপারিশ করে থাকে। এটা করে থাকে জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি কমিটি (কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি)। মানদণ্ডগুলো হলো— মাথাপিছু আয়, মানব উন্নয়ন সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দুর্বলতা। এখন প্রশ্ন হলো, এ তিনটি মানদণ্ডে বাংলাদেশ কতটুকু এগিয়েছিল? হ্যাঁ, বাংলাদেশ ২০১৮ সালে এবং ২০২১ সালে এ তিন সূচকে অগ্রগতি দেখিয়েছিল। যার জন্য জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি কমিটি বাংলাদেশকে সুপারিশ করেছিল উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা দেওয়ার জন্য। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বার্ষিক কান্ট্রি রিপোর্ট ২০২৫ অনুযায়ী, এলডিসি উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় তিনটি সূচকেই আবার উত্তীর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ। সত্য যে, এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা বেশি নেই। উত্তরণ সাল ২০২৬ অথবা ২০২৯ যেটাই হোক না কেন এখন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো, এলডিসি উত্তরণের বিষয়ে বাংলাদেশ এতদিন কতটুকু প্রস্তুতি নিয়েছে? বিগত সরকার স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি (এসটিএস) প্রণয়ন করেছিল। এ কর্মকৌশল সফল হয়নি। কেন? 

এটা নিশ্চিত যে, উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলে বাংলাদেশকে বাণিজ্য-সংক্রান্ত অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হবে। উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা হারাবে, ওষুধ উৎপাদনে পেটেন্ট ছাড় সুবিধা হারাবে (ট্রিপস চুক্তি কার্যকর হবে) । এছাড়া স্বল্পসুদে বৈদেশিক ঋণ বন্ধ হয়ে যাবে, আন্তর্জাতিক সহায়তা পাওয়া যাবে না, উন্নত দেশে শিক্ষাবৃত্তি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। 

বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়িক সংগঠন বলছে, এলডিসি উত্তরণ ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে হলে অর্থনীতি নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ব্যবসায়িক সংগঠনের পাশাপাশি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানও এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরছে। গবেষণায় বলা হচ্ছে, ৬ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত রপ্তানি কমে যাবে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে জিএসপি সুবিধা (ইবিএ-এভরিথিংক বাট আর্মস) বন্ধ হয়ে গলে ১২ শতাংশ শুল্ক দিয়ে রপ্তানি করতে হবে। এছাড়া কিছু কিছু দেশের সঙ্গে যে শুল্কমুক্ত সুবিধা চলমান, তা অকার্যকর হয়ে পড়বে। 

বর্তমান রাজনৈতিক সরকার এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা পেছানোর অনুরোধ করে জাতিসংঘে চিঠি লেখেন। এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের গ্রাজুয়েশন রেডিনেস অ্যাসেসমেন্ট প্রতিবেদন বলেছে যে, এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতি দুর্বল। সত্য যে, বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি নানামুখী চাপের মধ্যে আছে। চলমান মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বাংলাদেশকে আরও চাপের মধ্যে ফেলেছে। রাজস্ব ও আর্থিক খাতের দুর্বলতা, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের ঘাটতি এবং চলমান অর্থনৈতিক সংকট অর্থনীতিকে পঙ্গু করে ফেলেছে। 

বর্তমান সরকারের কাছে আমার প্রশ্ন হলো যে, এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা বাড়ালে বাংলাদেশ কি ভালোভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবে? ২০১৮ সালে এবং ২০২১ সালে বাংলাদেশ জানতে পেরেছিল যে, এলডিসি উত্তরণ করতে হবে। প্রশ্ন হলো যে, বাংলাদেশ এত বছর প্রস্তুতি গ্রহণ করতে ব্যর্ত হলো কেন? বর্তমান সরকার প্রস্তুতি নিতে সফল হবে, সেটার নিশ্চয়তা কি? ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে জিএসপি সুবিধা- ইবিএ- বন্ধ হলে ‘জিএসপি প্লাস’ সুবিধার মাধ্যমে শুল্ক সুবিধা পাওয়া সম্ভব। ‘জিএসপি প্লাস’ সুবিধা পাওয়ার জন্য বাংলাদশেকে ৩২টি শর্ত (আন্তর্জাতিক কনভেনশন) পরিপালন করতে হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ কতটুকু অগ্রগতি অর্জন করেছে? শর্তগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বাক-স্বাধীনতা, মানবাধিকার, শ্রম অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। দুঃখজনক যে, সরকার মানবাধিকার সংক্রান্ত অধ্যাদেশ সংসদে আইনে রূপান্তর করেনি। যেটা ‘জিএসপি প্লাস’ সুবিধা পাওয়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি। এটা তো এলডিসি উত্তরণ ঝুঁকি মোকাবিলার অন্যতম অংশ। বাংলাদেশে রাজস্ব ও আর্থিক খাতে দুর্বলতা রয়েছে। রাজস্ব-সংক্রান্ত দুর্বলতা কাটানোর জন্য রাজস্বনীতি বিভাগ এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করা হয়নি। আবার ব্যাংক রেজ্যুলেশন অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তর করলেও এটা সমালোচনার মুখে পড়েছে। এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য রাজস্বনীতি বিভাগ এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করার প্রয়োজন ছিল। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, এলডিসি উত্তরণ ২০২৯ সালের নভেম্বর মাসে হলেও সরকার সঠিক প্রস্তুতি গ্রহণ করতে ব্যর্থ হবে। 

বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে জাতিসংঘ। ৫০ বছর ধরে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণ করতে ব্যর্থ হয়। রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণের জন্য ১৭ বছর আগে ইপিবি ‘এক জেলা এক পণ্য’ ধারণা উদ্ভাবন করলেও সফল হয়নি। এর পর ২০২৪ সালে ‘এক গ্রাম এক পণ্য’ ধারণা চালু করলেও পরবর্তীকালে থেমে যায়। এমনকি কোনো দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি হয়নি। একমাত্র ভুটানের সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) হয়েছে। এত বছর ধরেও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা যায়নি। যার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানে শ্রমিক পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। দুঃখজনক যে, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের তালিকায় ১২৫টি পণ্য থাকলেও একটা পণ্য (তৈরি পোশাক) থেকে আসে মোট রপ্তানির ৮৪ শতাংশ, যা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক অনুষ্ঠানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান এলডিসি উত্তরণের পক্ষে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, পুরোনো চিন্তা থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেতে হবে। 

হ্যাঁ, কর-জিডিপি অনুপাত না বাড়ার কারণে সামনের দিনে বৈদেশিক ঋণ লাগবে। দুঃখজনক যে, লালদিয়া এবং পানগাঁও টার্মিনাল দুই বিদেশি কোম্পানির দায়িত্বে দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের ১০ বছরব্যাপী ১০০ শতাংশ করমুক্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তাহলে এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ কিভাবে মোকাবিলা করা যাবে? অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৩৬টি প্রকল্পের জন্য বৈদেশিক ঋণ খুঁজেছিল। উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলে বৈদেশিক ঋণের সুদহার বেশি হয়ে যাবে। সত্য যে, এলডিসি উত্তরণে চ্যালেঞ্জ আছে। তারপরও প্রতিযোগিতায় বিশ্বের সঙ্গে সমানতালে চলতে হলে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করতে হবে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে থাকতে হবে। রাষ্ট্র চাইলে এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সহজতর হবে। রাষ্ট্র চাইলে গণতন্ত্র, বাক-স্বাধীনতা, মানবাধিকার, শ্রম অধিকার নিশ্চিত করতে পারে। কিছুদিন আগে বাংলাদেশ শ্রম আইন অধ্যাদেশ (২০২৫) সংশোধন করা হয়েছে। এটা অবশ্যই ইতিবাচক। এলডিসি উত্তরণ হলে দেশের ওপর বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়ে যাবে। ফলে বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান বাড়বে, বৈশ্বিক বাণিজ্য বাড়বে। এলডিসি উত্তরণ হলে বাংলাদেশের পাসপোর্ট শক্তিশালী হবে। বাংলাদেশের নাগরিকের সারা বিশ্বে সামাজিক মর্যাদা বেড়ে যাবে। 

মালদ্বীপ এবং নেপাল প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করেছিল এক সময়। সলোমান দ্বীপপুঞ্জে হঠাৎ গৃহযুদ্ধ দেখা দিয়েছিল। যার কারণে তাদের এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা পেছানো হয়েছিল। জাতিসংঘের যে সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশের মর্যাদা বেড়ে যাবে, সে সুযোগ হাতছাড়া প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আসিয়ানভুক্ত দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করা অপরিহার্য। যদি বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক জোট/ব্লক-রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপের (আরসিইপি) সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন করা যায়, এলডিসি উত্তরণে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজতর হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে আঞ্চলিক সংযোগ (রিজিওনাল কানেক্টিভিটি) বৃদ্ধি করতে হবে আঞ্চলিক বাণিজ্যের স্বার্থে। বৈদেশিক শ্রমবাজার সম্প্রসারণ করে দক্ষ জনবল প্রেরণ করতে হবে। কূটনৈতিক দক্ষতার মাধ্যমে রপ্তানি গন্তব্য বাড়াতে হবে। বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার ব্যবস্থা করতে হবে। দুর্বল শ্রমবাজারকে শক্তিশালী করতে হবে। একটা উদার বাণিজ্যনীতি প্রণয়ন করতে হবে। তাহলে এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ থাকবে না। এখন বিশ্বের দরবারে রাষ্ট্রের মর্যাদা বৃদ্ধি জরুরি হয়ে পড়েছে। তাই রাষ্ট্রের বৃহৎ স্বার্থে এলডিসি উত্তরণ সময়সীমা বাড়ানো যৌক্তিক হবে না। 

বলা দরকার যে, বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ৭৫ শতাংশই এখন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মে হয়। এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। যদি এলডিসি উত্তরণের পরে ডব্লিউটিওর ‘এনহ্যান্সড ইন্টিগ্রেটেড ফ্রেমওয়ার্ক (ইআইএফ)’ এর আওতায় সুবিধা পাওয়া যায়, তাহলে চ্যালেঞ্জ কমে যাবে। এছাড়া ডব্লিউটিওর ‘এইড ফর ট্রেড ইনিশিয়েটিভ’ সুবিধাভোগী বাংলাদেশ। ২০০৬ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ এ সুবিধার অধীনে ২৩ বিলিয়ন ডলার পেয়েছিল। এলডিসি উত্তরণের পর এ সুবিধা অব্যাহত রাখার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এ পদক্ষেপগুলো নেওয়ার পাশাপাশি অর্থনীতি বহুমুখীকরণের মাধ্যমে এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। এলডিসি উত্তরণ হলে আন্তর্জাতিক মর্যাদা বাড়বে, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং দেশের ক্রেডিট রেটিং ভালো হবে। যেখানে বাংলাদেশ দুর্নীতি, পাসপোর্ট এবং গণতন্ত্র সূচকে বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে সেখানে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য এলডিসি উত্তরণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

চেয়ারম্যান, পিটিইআরসি 

[প্রবন্ধ, নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার, অনুবাদ, প্রতিক্রিয়া ও চিঠিপত্রে প্রকাশিত মতামত, উপস্থাপিত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা আইনগতসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের যথার্থতা ও মতামতের দায়িত্ব লেখকের নিজস্ব। এগুলোর সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতির সম্পাদকীয় নীতি বা অবস্থানের সর্বদা মিল না-ও থাকতে পারে। প্রকাশিত লেখার বিষয়ে জাতীয় অর্থনীতি কর্তৃপক্ষের অবস্থান নিরপেক্ষ]